গল্পটা

তোমার meeting room তোমাকে বোকা বানাচ্ছে।

আমি সেই লোক যে জানালা খোলে।

প্রতিটা meeting। প্রতিটা conference room। প্রতিটা phone booth যেটা কফিনের মতো বন্ধ হয়ে যায়। আমার সাথে কাজ করলে এটা তুমি জানোই।

বছরের পর বছর ভেবেছি এটা আমার খামখেয়ালি। না। ঘরের সবচেয়ে rational কাজটা এটাই।

আমি এই জগৎটা ভেতর থেকে চিনি। একটা air purifier company শুরু করেছিলাম, সেটা acquisition পর্যন্ত নিয়ে গেছি, তারপর তিন বছর Shanghai-তে Technical Director হিসেবে award-winning air quality hardware বানিয়ে ship করেছি। Sensor হাতে ধরেছি, spec পড়েছি, supply chain manage করেছি। যে industry-র কাজ খারাপ বাতাস ঠিক করা, তারা বেশিরভাগ সময় CO2 মাপেই না।

তুমি বসলে। Meeting শুরু হলো। চল্লিশ মিনিট পরে ঘর ভারী হয়ে গেলো। চোখ ঘোলাটে। ভালো idea আসা বন্ধ। তুমি দোষ দিলে coffee-কে। Lunch-কে। নিজেকে।

এদের কারোর দোষ না। বাতাসের দোষ। তুমি আর বাকি সবাই যে carbon dioxide ছাড়ছো, বেরোনোর জায়গা নেই।

তাই আমি সব জায়গায় CO2 monitor নিয়ে ঘুরতে শুরু করলাম। বিরক্ত করতে না। অনুভূতি নিয়ে তর্ক করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম, একটা নম্বর চাই। নম্বরটা প্রায় সবসময় সবার অনুমানের চেয়ে খারাপ।

বাইরের টাটকা বাতাস প্রায় 400 ppm। ভালো ventilation-এর ঘর 1000-র নিচে থাকে। তার ওপরে মাথা ধীর হতে শুরু করে। আমি একটা "আট জনের" meeting room-এ 2000 ppm মেপেছি। দশ মিনিটে। তিনজন মাত্র। দরজা বন্ধ।

ওটা meeting room না। ওটা dumb air।

আমি গালি দিচ্ছি না। Fact বলছি। Harvard লোকজনকে বিভিন্ন CO2 level-এর ঘরে বসিয়ে test নিয়েছিল। CO2 বাড়লো, score কমলো। Decision making। Focus। Strategic thinking। যে level আমি প্রতি সপ্তাহে সাধারণ office-এ মাপি, সেখানে প্রায় অর্ধেক কমে গেছে।

আবার পড়ো। আমরা মানুষকে এমন ঘরে বসাই যেটা মাপা যায় এমনভাবে তাদের বুদ্ধি কমায়, তারপর বলি সেখানে best thinking করো। ফলাফলকে বলি productivity problem। আসলে না। এটা dumb air।

এই feeling তুমি চেনো। শেষবার কখন কম্বলের নিচে মাথা ঢুকিয়ে শ্বাস নিতে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল ভাবো। সেই আঁটসাঁট, ঝাপসা, বের-করো-আমাকে feeling। সেটা CO2। Meeting room-এ ধীরে আর চুপচাপ হয়, তাই কেউ বলে না। একই gas। একই effect।

আসলে আমাকে যেটা পাগল করে সেটা হলো। আমরা মেনে নিই।

Office সুন্দর করতে কোটি টাকা খরচ করি। Laptop-এর চেয়ে দামি chair। Espresso machine। Standing desk। তারপর মানুষকে বন্ধ করি এমন ঘরে যেটা চুপচাপ তাদের বোকা বানায়, আর কেউ সেই একটা জিনিস মাপে না যেটা আসলে meeting-টা নষ্ট করছে।

তাই চুপচাপ জানালা খোলা বন্ধ। এবার জোরে।

এটা DUMB AIR। তোমার চারপাশের বাতাস মাপো। নম্বরটার মানে বোঝো। কিছু করো। জানালা খুলতে পারলে খোলো। না পারলে evidence দিয়ে যে জায়গাটা চালায় তাকে ঠিক করাও। তোমার office। তোমার বাচ্চার classroom। তোমার bedroom। Uber-এর পেছনের seat।

কোনো product নেই। কিছু বিক্রি করার নেই। শুধু সত্যিটা, যেটা তুমি টানছো। সেই নম্বর যেটা prove করে। আর কী করবে সেটা।

টাটকা বাতাস মাথা ধারালো রাখে। সেইমতো চলার সময় হয়েছে।

জানালা খোলো। বোকা হাওয়া টানবে না।

— Gustav